কণাদ – প্রথম পর্ব

টিউবে বসে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো কণাদ। ছাড়লো না….বলা ভালো একটা দীর্ঘশ্বাস পড়লো। কণাদের নিয়ন্ত্রণ ছিলো না।
আসলে একটু অপেক্ষা করতে চাইছিলো কণাদ। মাঝে মাঝে একটু অপেক্ষা করতে মন চায়। ভালোলাগে। স্টেশানে পৌঁছনো মাত্রই টিউবটা এসে দাঁড়ালো। স্টেশানে একটু বসতে ইচ্ছে করছিলো। কিন্তু ট্রান্সমিট স্টেশানে ডিলে বা ইনকগ্নিটো কোনটাই অ্যালাউড নয়!

Read more

শুভ মহালয়া

তারপর আস্তে আস্তে চোখে পড়তে লাগলো আরেকটা কোলকাতা। যা গ্রামে বড়ো হওয়া একজনের কাছে বড় অশ্লীল মনে হল। প্রথম প্রথম মাত্রাটা কিছু সহনীয় ছিলো। যা দেখছিলাম, তা বৃহৎ হওয়ার অবশ্যম্ভাবী কুফল বলে মেনে নিচ্ছিলাম হয়তো। হয়তো ভাবছিলাম শহরটাকে ত চিনি না ভালো করে এখনো। এ শহর রত্নসম্ভবা। এর কাছে প্রচুর পাওয়ার আছে। অনেকটা মা-এর মত। তবু চোখ আটকে যাচ্ছিলো কিছু দৃশ্যে। যেগুলো ইঙ্গিত করছিলো কোথাও একটা গভীর ক্ষত আছে এই শহরের। একটা নীরব অভিযোগ আছে। হয়তো অভিমান। চিনতে পারছিলাম না।

Read more

নিখিলেশ এবং

তখন নিখিলেশ ভাবলেন এবার পাখি পুষবেন। অনেক কথা হল। কাজও হল অনেক। বাগানের সমস্ত গাছ বাঁচিয়ে রাখা যায় না যখন তখন ফলের কথা ভেবে লাভ কি। তখন নিখিলেশ ভাবলেন এবার পাখি পোষা যাক।

একটা ডিমের মত গোল লোক তাকে একবার একটা আপেলের চারা দিয়েছিল। বাগানে লাগানোর জন্য। তা সেই আপেল চারার ইস্তেহার শুনে পাড়ার উকিল বললেন সমতলে আপেল গাছ হতে পারে, আপেল কিন্তু পাহাড়েই হবে। কথাটা নিখিলেশের মাথায় ঢোকেনি। রান্নাঘরের পাশে আপেল গাছ লাগালে ফল হবে উত্তর পাহাড়ে?

Read more